
আপনি হয়তো জানেন আপনার পোর্টফোলিওতে কোন কোম্পানির শেয়ার আছে, কিন্তু আপনি কি জানেন আপনার পোর্টফোলিও কেমন পারফর্ম করছে?
Biniyog Portfolio Analysis আপনার সব শেয়ারের লাভ, লস, রিস্ক আর সুযোগ দেখায় এক জায়গায়।
➡️ আপনার পোর্টফোলিওর মোট ভ্যালু কত
➡️ মোট লাভ না লস
➡️ সময়ের সাথে পারফরম্যান্স কেমন
ইনভেস্ট করার আগে নিজের অবস্থাটা পরিষ্কার ভাবে বুঝে নিন।
➡️ কোন শেয়ারে বেশি রিস্কি
➡️ কোথায় বেশি টাকা আটকে আছে
➡️ কোন সেক্টরে বেশি রিস্কে
আগেই বুঝে নিন, পরে আফসোস করার আগেই।
➡️ কোন শেয়ার ভালো অবস্থানে আছে
➡️ কোনটা দুর্বল হচ্ছে
➡️ কোথায় ভালো বা খারাপ দিকে যাচ্ছে
কোন কঠিন চার্ট বা ভাষা নয় বরং সহজ ভাষায় প্রয়োজনীয় তথ্য।
প্রতিটা শেয়ারের জন্য পাওয়া যাবে:
➡️ কোনটা ধরে রাখবেন
➡️ কোনটা বেঁচে দিবেন রিস্ক বুঝে
➡️ কোনটা কিনবেন সুযোগ বুঝে
ডিসিশন নিন কনফিউশন ছাড়াই
Portfolio Analysis আপনাকে দেখায়:
➡️ কোথায় রিস্ক কমানো দরকার
➡️ কোন সেক্টরে কম বা বেশি বিনিয়োগ হয়েছে
➡️ কীভাবে পোর্টফোলিওর দীর্ঘ মেয়াদি লাভ বাড়ানো যায়
দীর্ঘ মেয়াদি বিনিয়োগকারীদের জন্য সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত




আপনার পোর্টফোলিও বিশ্লেষণ সংক্রান্ত সাধারণ প্রশ্নের উত্তর
Portfolio Analysis হলো Biniyog অ্যাপের একটি ফিচার, যা আপনার সব শেয়ার একসাথে বিশ্লেষণ করে দেখায়। এতে আপনি এক নজরে বুঝতে পারবেন আপনার পোর্টফোলিও লাভে আছে নাকি লসে, কোথায় রিস্ক বেশি, আর কোন শেয়ারে সমস্যা হচ্ছে।
হ্যাঁ। এই ফিচারটি বিশেষভাবে বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেট (Dhaka Stock Exchange – DSE) ইনভেস্টরদের কথা মাথায় রেখেই বানানো।
আপনি জানতে পারবেন:
➡️ আপনার মোট লাভ বা লস
➡️ কোন শেয়ার রিস্কি
➡️ কোন সেক্টরে বেশি টাকা আটকে আছে
➡️ কোন শেয়ার Hold, Sell বা Accumulate করা ভালো
সবকিছু সহজ ভাষায় দেখানো হয়।
অবশ্যই। ফিন্যান্স বা শেয়ার মার্কেটের গভীর জ্ঞান না থাকলেও Portfolio Analysis সহজে বোঝা যায়। নতুন আর অভিজ্ঞ, দুই ধরনের ইনভেস্টরের জন্যই এটি উপযোগী।
আপনার পোর্টফোলিওতে ৩টি শেয়ার থাকলেও ব্যবহার করা যাবে, আবার ৬০টির বেশি থাকলেও সমস্যা নেই। ফিচারটি আপনার পোর্টফোলিও অনুযায়ী নিজে থেকেই কাজ করে।
প্রাইসিং নির্ভর করে আপনার পোর্টফোলিওতে কয়টি কোম্পানি আছে তার উপর। ছোট পোর্টফোলিও হলে খরচ কম, বড় হলে একটু বেশি তবে সবসময় সাশ্রয়ী।
Suspended এবং non-equity কোম্পানিগুলো Portfolio Analysis-এ নিজে থেকেই বাদ পড়ে যায়। এগুলোর জন্য আপনাকে আলাদা করে কিছু করতে হয় না।
না। Portfolio Analysis কোনো গ্যারান্টি দেয় না। এটি আপনার পোর্টফোলিও সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা দেয়, যাতে আপনি ভালো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
হ্যাঁ। আপনি যখনই চাইবেন, তখনই নতুন করে Portfolio Analysis জেনারেট করতে পারবেন।
সাধারণত কয়েক মিনিটের মধ্যেই রিপোর্ট তৈরি হয়ে যায়। কোনো অপেক্ষা করতে হয় না।
➡️ Biniyog অ্যাপ খুলুন
➡️ Portfolio ট্যাবে যান
➡️ “Generate Analysis” চাপুন
➡️ প্ল্যান সিলেক্ট করে কনফার্ম করুন
এতটাই সহজ।
হ্যাঁ। Portfolio Analysis বর্তমানে Biniyog মোবাইল অ্যাপেই পাওয়া যাচ্ছে।
হ্যাঁ। Portfolio Analysis কারণ এটি আপনাকে সাহায্য করে:
➡️ রিস্ক বুঝতে
➡️ লস কমাতে
➡️ পোর্টফোলিও ব্যালান্স করতে
➡️ আবেগ না করে ডেটা দেখে ইনভেস্ট করতে
Portfolio Analysis আপনার আসল পোর্টফোলিও ডেটা আর Dhaka Stock Exchange (DSE) এর মার্কেট ডেটার উপর ভিত্তি করে তৈরি। এটা অনুমান না, বাস্তব ডেটা দিয়ে বিশ্লেষণ।
ডেটা নেওয়া হয়:
➡️ Biniyog অ্যাপে আপনার দেওয়া পোর্টফোলিও তথ্য
➡️ DSE-এর মার্কেট ডেটা
কোনো ম্যানুয়াল হিসাব বা আন্দাজ নেই।
হ্যাঁ। পুরো অ্যানালাইসিস সিস্টেম নিজে থেকেই তৈরি করে। এতে ভুল কম হয় এবং মানুষের পক্ষপাত ঢুকে পড়ে না।
এগুলো ডেটা-ভিত্তিক ইঙ্গিত, গ্যারান্টি না। আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করার জন্য, আপনার হয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য না।
না। Portfolio Analysis কোনো শেয়ার বা কোম্পানিকে ফেভার করে না। সবকিছু ডেটার উপর ভিত্তি করে দেখানো হয়।
হ্যাঁ। আপনার পোর্টফোলিও ডেটা শুধু আপনারই। এই ডেটা শুধু অ্যানালাইসিস দেখানোর জন্য ব্যবহার হয়, অন্য কারো সাথে শেয়ার করা হয় না।
না। এটা ইনভেস্টমেন্ট অ্যাডভাইস না। এটা আপনাকে বুঝতে সাহায্য করে, যাতে আপনি নিজে ভালো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
হ্যাঁ। শেয়ারের দাম বা মার্কেট কন্ডিশন বদলালে নতুন করে Portfolio Analysis করলে আপডেটেড রেজাল্ট পাবেন।
যেকোনো ডেটা-ভিত্তিক সিস্টেমের মতোই, এটা ডেটার উপর নির্ভর করে। তাই এটাকে সহায়ক টুল হিসেবে ব্যবহার করাই সবচেয়ে ভালো।
কারণ Biniyog বাংলাদেশি ইনভেস্টরদের জন্যই প্রোডাক্ট বানায়।
ফোকাস থাকে:
➡️ পরিষ্কার তথ্য
➡️ সহজ ভাষা
➡️ লোকাল মার্কেট রিলেভেন্স
হাইপ না, ক্ল্যারিটি।
হ্যাঁ। Portfolio Analysis আপনাকে দ্রুত বুঝতে সাহায্য করে। এর সাথে নিজের রিসার্চ মিলিয়ে নিলে সিদ্ধান্ত আরও ভালো হয়।